সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ ঘিরে সংসদে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়

সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ ঘিরে সংসদে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়

 ১৩ দিনের বিরতির পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠক শুরু হলেও তা দ্রুতই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনের এক পর্যায়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর বিশেষ অধিবেশন আহ্বান এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি ঘিরে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়।

বিশেষ অধিবেশন দাবিতে বিরোধী দল

পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানান। তিনি একইসঙ্গে ৭১ বিধি ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা স্থগিত রেখে এ বিষয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনেই নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে এবং এটি আলোচনার জন্য গ্রহণ করা উচিত।

বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলে সরকারপক্ষ

বিরোধী দলের এই দাবির প্রেক্ষিতে সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত কার্যসূচি শেষ হওয়ার আগে এ ধরনের বিষয় উত্থাপন করা উচিত নয় এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

মন্ত্রীর বক্তব্যে পরিস্থিতি জটিল

আলোচনার একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দিতে উঠলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে চাইলে স্পিকার তাকে মূল বক্তব্যে ফেরার অনুরোধ জানান।

পরে মন্ত্রী বলেন, সরকারেরও এ বিষয়ে বক্তব্য রয়েছে, তবে সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্ধারিত কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আনা উচিত।

উত্তপ্ত পরিস্থিতির অবসান

বিরোধী দল অভিযোগ করে, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হলেও তার অনুপস্থিতিতে মন্ত্রী বক্তব্য দিচ্ছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করে।

শেষ পর্যন্ত স্পিকার সংসদীয় বিধি অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যদিবসে বা নির্ধারিত সময়ে বিষয়টি আলোচনার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

Post a Comment

0 Comments